Breaking News
Home / সারাদেশ / বরিশাল / পটুয়াখালী / রাঙ্গাবালী সদরের হাট কাদাপানি,ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

রাঙ্গাবালী সদরের হাট কাদাপানি,ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

মাহমুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী ) সংবাদদাতা
একটু বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি। অলিগলিতে পানি জমে যায়। কাদাপানিতে নাকাল হয়ে থাকে। ময়লা-আবর্জনা পচে দুর্গন্ধে দুর্ভিসহ অবস্থা। এতে বেচাকেনা হয় মন্দা, ব্যবসায়ীদের কপালে পড়ে হাত। এমন অব্যবস্থাপনার মধ্যেই চলছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা সদরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত বাহেরচরের সাপ্তাহিক হাট। কিন্তু নিয়মিত হাসিল (খাজনা) দিলেও হাটের উন্নয়ন না হওয়ায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। তাই বৃহস্পতিবার দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ‘বাহেরচর’ হাট। সোম ও বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাট বসে সেখানে। কিন্তু পুরো হাটের মধ্যে ক্রেতাদের চলাচলের জন্য কোন পাকা সড়ক নেই। তাই সামান্য বৃষ্টিবর্ষা হলে হাটের অলিগলি কাদাপানিতে নাকাল হয়ে যায়। কারণ, হাটে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই। অপরদিকে পানি জমে থাকায় ময়লা-আবর্জনা গলেপচে দুর্গন্ধ ছড়ানোয় হাটের মধ্যে ক্রেতাদের চলাফেরা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
এদিকে হাটের এই অব্যবস্থাপনার কারণে বৃহস্পতিবার দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেছেন ভাসান ব্যবসায়ীরা। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানপাট নিয়ে না বসে এ ধর্মঘট পালন করেন তারা। তাই ওইদিন হাট মেলেনি। বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাহেরচর হাটের বেহাল অবস্থা। কিন্তু এর প্রতিকারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। তাই এই হাটের উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। বাহেরচর সাপ্তাহিক হাট ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তফা মিয়া জানান, কাদাপানির কারণে দোকানপাট নিয়ে হাটে বসা যায় না। তাই এই হাটে ক্রেতাও এখন কম আসে । একারণেই হাটের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখেছিল। ব্যবসায়ীরা হাটের উন্নয়ন চান।
ব্যবসায়ীরা জানান, অব্যবস্থাপনা এবং তদারকি না থাকায় বাহেরচর হাটে কাদাপানি আর ময়লা-আবর্জনার নাকাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের ব্যবস্থা না করায় সামান্য বৃষ্টি হলে হাটের মধ্যে পানি জমে যায়। এরফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দুর্ভোগের কোন শেষ থাকে না। তাই বেচাকেনাও কম হয়। কিন্তু সরকারিভাবে প্রতিবছর ইজারা দেওয়া হলেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। জানতে চাইলে বাহেরচর হাটের ইজারাদার রাকিব হাওলাদার বলেন, হাটের মধ্যে পাকা কোন রাস্তা নেই। বৃষ্টি হলে হাটের মধ্যে কাদাপানি জমে থাকে। পানি নামার কোন ড্রেন নেই। পানি না সরায় ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেও পারা যায় না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, বাহেরচর সাপ্তাহিক হাটের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট না খুলে ধর্মঘট করার বিষয়টি শুনেছি। এবিষয়ে বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Check Also

গলাচিপায় কলেজ ছাত্রীর মৃত্যুতে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জসিম উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার পটুয়াখালীর গলাচিপায় শিল্পী আক্তারের মৃত্যুতে গলাচিপা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা …