Breaking News
Home / আইন ও আদালত / সুন্দরগঞ্জে কলেজ ছাত্রী সুমি হত্যায় স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়িকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচার দাবীতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

সুন্দরগঞ্জে কলেজ ছাত্রী সুমি হত্যায় স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়িকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচার দাবীতে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

আল কাদরী কিবরীয়া সবুজ, গাইবান্ধা সংবাদদাতা
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কলেজ ছাত্রী সুমি আক্তার হত্যায় স্বামী মেহেদী হাসান মুন্না, শ্বশুর নূর আলম ও শাশুড়ি মরিয়ম বেগমকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে।

গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে গতকাল ১২ ডিসেম্বর বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত সুমির অসহায় পিতা-মাতা এবং আত্মীয় স্বজনরা এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উলেখ করা হয়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের নতুন দুলাল গ্রামের শামছুল হকের মেয়ে সুমি আক্তার এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তার সাথে গত এপ্রিল মাসে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কমিশনার রামডাকুয়া গ্রামের নূর আলমের ছেলে মেহেদী হাসান মুন্নার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে সুমি আক্তারের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এ কারণে সুমি আক্তার তার বাবার বাড়ি থেকে লেখাপড়া করতেন। গত ১২ নভেম্বর সুমি আক্তার তার বাবার বাড়ি থেকে ধর্মপুর মহিলা কলেজে এইচএসসির প্রথম বর্ষের পরীা দেয়ার জন্য যান। তিনি কলেজ ক্যাম্পাসে পৌছা মাত্রই তার স্বামী মেহেদী হাসান মুন্না তাকে জোর করে উঠিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুনরায় যৌতুকের দাবিতে সুমি আক্তারকে অমানুষিক মারপিট করে গলাটিপে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে সুমির লাশ সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যান মেহেদী হাসান ও তার বাড়ির লোকজন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ১৮ নভেম্বর নিহত সুমির বাবা ছামছুল হক বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলার আসামীরা হলো- মেহেদী হাসান তার বাবা নূর আলম ও মা মরিয়ম বেগম। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে সুমি আক্তার হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা করতে গিয়ে তার অসহায় পিতা ছামছুল হক কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ সময় অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন অশ্র“সজল হয়ে পড়লে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহত সুমির মা শান্তি বেগম, দাদা নুরুল আলম ডাকুয়া, বড় ভাই শফিকুল ইসলাম, বড় বোন স্বপ্না বেগম, ভাবী তহমিনা বেগম, জেঠাত ভাই সাইদুর রহমান, আব্দুল খালেক, শাহ জামাল, চাচা চান মিয়া প্রমুখ। এর আগে একই দাবিতে তারা প্রেস কাবের সামনে সড়কে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …