Breaking News
Home / সারাদেশ / রংপুর / গাইবান্ধা / গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে আ’লীগের নির্বাচনী বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত : এমপি লিটনের অসমাপ্ত কাজ করতে চান নৌকার কান্ডারী আফরুজা বারী

গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে আ’লীগের নির্বাচনী বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত : এমপি লিটনের অসমাপ্ত কাজ করতে চান নৌকার কান্ডারী আফরুজা বারী

আল কাদরী কাদরীয়া সবুজ, গাইবান্ধা সংবাদদাতা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের নৌকার কান্ডারি প্রয়াত এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের বড় বোন বিশিষ্ট শিল্পপতি উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আফরুজা বারী বলেন, ভাইয়ের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ এবং স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। তিনি বলেন, স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে দমিয়ে সুন্দরগঞ্জে আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছিলেন প্রয়াত সাংসদ লিটন। আমি আমার ভাইয়ের সেই দায়িত্ব পালন করতে চাই। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলার তারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে পুটিমারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আ’লীগের বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তারাপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি ছামসুল হকের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগ আহবায়ক টিআইএম মকবুল হোসেন প্রামানিক, যুগ্ম আহবায়ক সাজেদুল ইসলাম, রেজাউল আলম রেজা, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মঞ্জু, তারাপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছামাদ খোকা, জেলা পরিষদ সদস্য এমদাদুল হক নাদিম, গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আসিফ সরকার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মেহেদী হাসান প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন আ’লীগ নেতা দীপক কুমার বাবলু।

আফরুজা বারী বলেন, ছোট ভাই মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের হাল ধরে দলকে সু-সংগঠিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, ছোট ভাই এমপি লিটনের মৃত্যুর পর আমি আ’লীগের হাল ধরে এলাকার উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের উন্নয়ন ঘটাতে চাই। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তা-ঘাট পাকা করণের ব্যবস্থা এবং শতভাগ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
আফরুজা বারী ২০১২ সালে আ’লীগের সদস্য কূপন সংগ্রহ করে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করেন। ২০১৬ সালে তার ছোট ভাই এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যার পর আ’লীগের রাজনীতিতে তিনি আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ইতিমধ্যে তিনি উপজেলার অসহায় দুস্থ্য মানুষের মাঝে সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করে অনেকটা পরিচিতি অর্জন করেছেন। তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করে অসহায় ও দুস্থ্যদের চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন। আনন্দ বিল্ডার্স লিমিটেড, আনন্দ শিপইয়ার্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড ও জেরিনা কম্পোজিট টেক্সাটাইল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডসহ ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তার। ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে লাঙ্গলের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …