Breaking News
Home / আইন ও আদালত / গাইবান্ধায় পুলিশ হেফাজতে মেধাবী ছাত্র রিপন হত্যাকান্ডে আসামিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

গাইবান্ধায় পুলিশ হেফাজতে মেধাবী ছাত্র রিপন হত্যাকান্ডে আসামিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আল কাদরী কিবরীয়া সবুজ, গাইবান্ধা সংবাদদাতা
অবিলম্বে পুলিশ হেফাজতে মেধাবী ছাত্র রিপন হত্যার আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল সোমবার গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন সড়কে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল লক্ষ্মীপুর বাজার প্রদক্ষিণ করে।
বিক্ষদ্ধ এলাকাবাসী এই মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করে। মানববন্ধনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এলাকার নারী পুরুষরা অংশ নেয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি নেতা কাওছার আজম হান্নু, স্থানীয় কমিউনিস্ট পার্টি নেতা বেলাল সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য লতিফুল ইসলাম, মাসুদ রানা, জিয়াউর রহমান, যুবনেতা আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষক হায়দার আলীম মোখলেছুর রহমান, অন্তর মিয়া, আব্দুস সাত্তার, মিলন মিয়া, তারাজুল ইসলাম তারা প্রমূখ।

এসময় রিপনের পিতা বাবুল চন্দ্র দাস বলেন, আমার সন্তান রিপনকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার দাবি করে মামলা করেছি। কিন্তু আমি গত দু’বছর ধরে মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না। উল্টো আসামিরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য আমাকে নানা হুমকি দিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হাতিয়া গ্রামের বাবুল চন্দ্র দাস ও সুজকি রানী দাসের ছেলে কলেজ ছাত্র রিপন চন্দ্র দাস প্রতিবেশী সুরেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে চম্পার প্রেমের সম্পর্ক হলে ২৯ মে ২০১৬ সালে দু’জনে বাড়ি থেকে পালিয়ে বগুড়া জেলার কাহালুতে তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে যায়। এই ঘটনায় চম্পার বাবা সুরেশ বাদি হয়ে মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করে। সুন্দরগঞ্জ থানার এস আই রাজু আহমেদ,কনস্টেবল শাহানুর আলম, মোস্তাফিজার রহমান,নার্গিস বেগম ওই বছরে ১ জুন বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলা থেকে চম্পা ও রিপনকে কাহালু থানার সহায়তায় উদ্ধার মাইক্রোতে তোলে। এসময় রিপনের বাবা বাবুল চন্দ্র দাসের অনুরোধ উপেক্ষা করে পুলিশএকই মাইক্রোতে মেয়ের পিতা ও তাদের অন্যতম সহযোগি মমতাজ উদ্দিনকে তুলে নিয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দিকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে পলাশবাড়ির কাছে পুলিশের সহযোগিতায় রিপনকে হত্যা করা হয়। এব্যাপারে রিপন চন্দ্র দাসের পিতা বাবুল চন্দ্র দাস বাদি হয়ে ওই চার পুলিশসহ সুরেশ চন্দ্র, ইউপি মেম্বার মমতাজ উদ্দিনকে আসামি করে আদতালতে মামলা দায়ের করে। পরে আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা রেকর্ড করে সিআইডিকে তদন্তাভার দেয়া হয়। সিআইডি সকল আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে বাবুল চন্দ্র দাস এতে না রাজি জানিয়ে আদালতে আবেদন জানালে আদালত পিবিআইকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। বর্তমানে পিবিআই মামলাটি তদন্তকাজ পরিচালনা করছে।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …