Breaking News
Home / সারাদেশ / বরিশাল / পটুয়াখালী / গভীর সাগরে নিখোঁজ সাত জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি

গভীর সাগরে নিখোঁজ সাত জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি

নিয়ামুর রশিদ শিহাব, গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় গভীর সমুদ্রে দু’টি মাছ ধরা ট্রলারডুবির ঘটনার তিন দিন পার হলেও নিখোঁজ সাত জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত বুধবার সকাল থেকে গভীর সমুদ্র হঠাৎ উত্তাল হয়ে ওঠে। প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে তীরে ফিরে আসার সময় মহিপুরের নজিবপুর এলাকার এফ বি ইলিয়াছ ও লতাচাপলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লার মালিকানাধীন এফ বি মারজিয়া আক্তার রিমা নামে মাছ ধরা দু’টি ট্রলার বুধবার গভীর রাতে মাঝি-মাল্লাসহ সুন্দরবনসংলগ্ন সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়।
এ সময় নজিবপুর এলাকার এফ বি ইলিয়াছ ট্রলারের ১৩ জন জেলের মধ্যে ছয়জন অন্য একটি ট্রলারের সাহায্যে তীরে ফিরে আসেন। তবে ট্রলারসহ নিখোঁজ সাত জেলের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ জেলেরা হলেনÑ মাঝি মনির হাওলাদার, আব্দুল কাদের, ইব্রাহিম, মাহাবুব, ছিদ্দিক, ফাইজুল ও জাহিদ। নিখোঁজ জেলে জাহিদের বাড়ি বরগুনার খাকবুনিয়া এবং অন্যদের বাড়ি মহিপুরের নজিবপুর এলাকায় বলে জানা যায়।
অপর দিকে এফ বি মারজিয়া আক্তার রিমা ট্রলারের ১৭ জেলে আরেকটি ট্রলারের সাহায্যে মৎস্য বন্দর আলীপুর আসতে পারলেও নিমজ্জিত ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সাগর থেকে ফিরে আসা জেলে সোহরাফ হোসেন বলেন, সাগর উত্তাল হওয়ার কারণে আমাদের ট্রলারের মাঝি-মাল্লা সবাই বমি করেছে। মনে করছিলাম কূলে ফিরতে পারবে না, ট্রলার সমুদ্রে পড়ে যাবে।
নজিবপুর এলাকার এফ বি ইলিয়াছ ট্রলারের মালিক মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, অনেক শখ করে একটি ট্রলার সাগরে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু সে ট্রলারটি আজ ডুবে গেল। ট্রলারডুবিতে আমার ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। সাত জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এটা আরো কষ্টদায়ক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কুয়াকাটা আলীপুর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি ও লতাচাপলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা বলেন, হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে ওঠে। জেলেরা সমুদ্রে টিকতে না পেরে নিরাপদে আশ্রায় ফেরার পথে সুন্দরবনসংলগ্ন সমুদ্রে আমার ট্রলারটি ডুবে গেছে। অন্য একটি ট্রলার আমার মাঝি-মাল্লাদের ঘাটে নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও ডেমরাঘাট শাখার সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, সরকারের জরুরিভাবে শক্তিশালী নৌযান নিয়ে নিমজ্জিত এলাকা চিহ্নিত করে জেলেদের খুঁজে দেখা উচিত।
নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন, ডেমরাঘাট শাখার কার্যকরী সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, গভীর সমুদ্রে যেকোনো ট্রলারডুবির ঘটনা হলে তাৎক্ষণিক কোস্টগার্ডের হেলিকপ্টার নিয়ে অনুসন্ধান করা দরকার

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …