Breaking News
Home / আইন ও আদালত / বেড়ীবাঁধের দু’পার্শ্বে সরকারী গাছ বিলুপ্তির পথে

বেড়ীবাঁধের দু’পার্শ্বে সরকারী গাছ বিলুপ্তির পথে

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা :
বেআইনি প্রক্রিয়ায় অবাধে সরকারী গাছ কেঁটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানিয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তিবর্গ এই সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, পটুয়াখালী জেলাধীন গলাচিপা উপজেলার ৫নং তালতলী রতনদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাতাবুনিয়া নামক স্থানে বেড়ীবাঁধের দু’পার্শ্বে আকাশমনি, শিশু গাছ সহ সরকারী বিভিন্ন গাছগুলো রাতের আঁধারে কিংবা দিনের আলোতে কখনো গোপনে বা প্রকাশ্যে কেঁটে ফেলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চিহৃ স্বরূপ পরে আছে গাছের মূলের কিছু অংশ। অবিশ্বাস হলেও সত্য, বেআইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিনিয়ত গাছ কেঁটে যানবাহনে করে নিয়ে যাচ্ছে অসাধু কিছু অর্থ লোভী ব্যক্তি। স্থানিয় আবদুল রশিদ জানান, দুই বছর ধরে কে বা কারা রাতের আঁধারে এই গাছগুলো কেঁটে নিয়ে যাচ্ছে তা বলতে পারছেন না। তবে ২৮শে জুলাই, ২০১৮ ইং তারিখ বেড়ীবাঁধের পথ দিয়ে যাওয়ার সময় গাছ কাঁটার বিষয়টি খলিল খাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আলঙ্গীর মেম্বর এই গাছগুলো কাটিয়েছেন। এখানেই শেষে নয় খলিল খাঁকে স্থানে না পেয়ে হালেম ফরাজি নামে প্রত্যক্ষদর্শীর কাছে গেলে তিনি জানান, ফরেস্টারের উপস্থিতিতে আলঙ্গীর মেম্বর লোকজন দিয়ে শিশু গাছ কেঁটেছে এবং তা আমার পুকুরে রাখার কথা ছিল কিন্তু রেখেছে কিনা জানিনা। গাড়ীও এনেছিল তাতে করে নিয়ে যেতে পারে। মাসুদ নামের এক কাঠুড়েকে তার দল বল সহ বেড়ীবাঁধের দক্ষিণ পার্শ্বে দিনের আলোতে গাছ কাঁটতে দেখা যায়। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তারা গাছ কাঁটার কাজ করে সব সময়। তাদেরকে গাছ কাঁটার জন্য খলিল খাঁ এনেছেন। ৫নং তালতলী রতনদী ইউনিয়ন পরিষদ ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলঙ্গীর মেম্বর যার দিকে গাছ কাঁটার অভিযোগ উঠছে বার বার তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বললেন খুব সহজেই। তারপরে বললেন বিট অফিসার যাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছেন তারা কাঁটতে পারে। কাদের দায়িত্ব দিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, বনবিভাগ কর্তৃক বনের গাছ রক্ষা করার জন্য স্থানিয় ভাবে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ইউপি সদস্য দায়টি দিলেন তাদের মাথায় সভাপতি আলম গাজী আর সাধারণ সম্পাদক ফোরকান মাতব্বর। এ ছাড়াও আর একজনের নাম বললেন ছত্তার ডাক্তার। এ ঘটনা কিছুই নয়, বন্যাতলী থেকে পাতাবুনিয়া পর্যন্ত ফরেস্টের আওতাধীন সরকারী গাছগুলো বিলুপ্তির পথে। একে নদী ভাঙ্গন অন্য দিকে অসাধু কিছু অর্থ লোভী ব্যক্তির স্বার্থ। এই দায় ভার কার? বিট অফিসার মোঃ শাহ আলমের সাথে বিষয়টি অবগত করার জন্য দেখা করতে গেলে ফরেস্ট গার্ড জানান, স্যার সংবাদ পেয়ে ৫নং তালতলী রতনদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাতাবুনিয়া সরকারী গাছ কাঁটার বিষয়টি শুনে ঘটনা স্থানে চলে গেছেন।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …