Breaking News
Home / সারাদেশ / বরিশাল / পটুয়াখালী / গলাচিপা-পটুয়াখালী রাস্তার বেহাল দশা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন

গলাচিপা-পটুয়াখালী রাস্তার বেহাল দশা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা , (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা :
গলাচিপার-পটুয়াখালী সড়কের অর্ধেকটা পথ জুরে বেহাল অবস্থা। এতে গলাচিপার সাথে জেলা সদর পটুয়াখালীর যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম হয়ে পড়েছে।পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে সড়ক পথে গলাচিপা যেতে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীদের এখন সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পটুয়াখালী-গলাচিপা সড়কের ১৬ কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। একই কারণে ২০ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগছে। বিভিন্ন স্থানে গর্ত সৃস্টিসহ যানবাহন চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায়ই ঘটছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনা। চলতি বর্ষা মওসুমে সড়কটি চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ার আশংকা করছেন নিয়মিত যাতায়াতকারীরা। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করার দাবী জানিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে গলাচিপার সড়ক পথে দুরত্ব ৩২ কিলো মিটার। শাখারিয়া পর্যন্ত সড়কটি ভালো থাকলেও বাকি ১৬ কিলো মিটার বাদুরা থেকে হরিদেবপুর ফেরীঘাট পর্যন্ত গোটা রাস্তার বেহাল অবস্থা। প্রতিদিন গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার হাজার হাজার মানুষ এই পথে জেলা শহরে যাতায়াত করেন। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃস্টি আর বিটুমিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সকল ধরনের যান বাহন চলাচল করছে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে। এ্যাম্বুলেন্সের রোগীর অবস্থা আরো ভয়াবহ। গত শুষ্ক মওসুমেও সড়টি সংস্কার করা হলেও ইতোমধ্যে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নি¤œমানের কাজ ও তরমুজের ভারী ট্রাক চলাচলের কারনে এমনটা হয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, সড়কটির ওই ১৬ কিলোমিটারের মুসুল্লিকাঠি স্লুইসগেট, আমখোলা, মুদির হাট ও বাদুরা এলাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অবস্থা এতটাই খারাপ যে কোনো কোনো স্থানের গর্ত বড় হওয়ায় যাত্রীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে পার হতে হয়। অনেক সময় এসব গর্তের কারণে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানবাহনকে দীর্ঘ সময় নষ্ট করতে হয়। হরিদেবপুরের আবদুল হালিম বলেন, এক যুগ আগে এ সড়কটি নির্মাণ হলেও আজ পর্যন্ত তেমন কোনো সংস্কার করা হয়নি। বাসচালক জহিরুল ইসলাম বলেন, রাস্ত এতটাই খারাপ যে ১৬ কিলোমিটার পথ যেতে দেড় থেকে পৌনে দুই ঘণ্টা লাগে। এতে সবাইকে বিরক্ত লাগে এবং যাত্রীরাও অধৈর্য হয়ে যায়। পটুয়াখালী বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা জানান, পটুয়াখালী-গলাচিপা সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ মেরামত না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে মাঝে মধ্যে দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কটি জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা না হলে পটুয়াখালীর সঙ্গে গলাচিপার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।সড়ক ও জনপথ বিভাগের পটুয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমে জানান, বর্ষা মওসুমে সড়কটি চলাচলের উপযোগী রাখার উদ্যোগ তারা নিয়েছেন। পাশাপাশি সড়কটিকে টেকসই করার লক্ষ্যে জেলা মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীত করন, ফেস-২ প্রকল্পের আওতায় এর কাজ শুরু করা হবে আগামী শুকনো মওসুমে। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন ।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …