Breaking News
Home / সারাদেশ / বরিশাল / পটুয়াখালী / মেয়ে মাঝী মা মাল্লা

মেয়ে মাঝী মা মাল্লা

আল আমিন, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী ) প্রতিনিধি
নৌকায় জন্ম নৌকায় মৃত্যু।নৌকায় তাদের বসবাস জীবন যেন তাদের কঠিন সংগ্রাম।পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর আগুনমুখা নদীতে রবিবার বিকাল ৫.৪৫টার সময় দেখাযায় এই চিত্র।সুর্বনা(৫) নামের মেয়েটি নৌকার মাঝি, আর মাল্লা মা শেফালী বেগম। দীর্ঘ ১০ বছর যাবত আগুন মুখা নদীতে মাছ ধরছে তারা। লেখা পড়া কাকে বলে তাদেও জানা নাই। নদীর তীরের মানুষ গুলোর সাথে মিসতে পারছেনা তারা তাদের জীবনে নেই কোন আনন্দ,দুঃখ দিয়ে জীবন গড়া তাদের । জীবন জীবিকা নির্ভর করে মাছের উপর দূর্যগ পূর্ন আবহাওয়া কোথায় মাথা গোজার ঠাই মাত্র নাই।শেফালী বেগমের সাথে আলাপ কালে বলেন ,আমি যখন ছোট তখনই আমাকে পালতে আনে আমার বাবা মোঃ কালু সরদার সেই সময়ই তার জায়গা জমি সব নদীতে ভাঙ্গে পরে আমারে লইয়া (নিয়া) নৌকায় আইয়া(এসে) পরে আমার লেহা পড়া (লেখাপড়া) আর হয় নাই ।আমার সত্যিকারের বাবা, মা কোথায় আমি জানিনা ।এখন তারাই আমার বাবা মা।আমার ৫টা মাইয়া পোলা (চার মেয়ে এক ছেলে) সুর্বনা আমার ছোট মাইয়াএই মাইয়াটা( মেয়েটাকে) রেখে ওর বাবা মারা যায় ।রড় দুই মেয়েকে অন্য নৌকায় বিয়া (বিবাহ)দিছি আর ছোট দুই মাইয়া লইয়া ( মেয়ে নিয়ে) মাছ ধরি,মাছ পেলে ভাত খাইতে পারি না পাইলে উপাস থাকি কে আছে আমাগো দেখার আমাগো দেখে আল্লাহ্।
সুর্বনা বলেন,লেহা পড়া (লেখা পড়া) কাকে বলে আমি জানিনা ।
শেফালীর বাবা মোঃ কালু সরদার বলেন ,আমার কোন ছেলে মেয়ে না থাকার কারনে শেফালী কে পালতে আনি এখন ওর বাবা মা কোথায় আমি জানিনা।আমারা সরকারী কিছু পাইনা।
এ ব্যাপাওে উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্বে)মোঃ মোসলেম উদ্দিন খান বলেন,ওরাতো যাযাবর কোন সময় কোন জায়গায় থাকে বলা য়ায় না। আমরা অনেকেই মৎস কার্ড ও থাকার জন্য আবাসনে ব্যাবস্থা করে দিয়েছি যারা বাকী আছে তাদের ও তালিকা করব ।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …