Breaking News
Home / সারাদেশ / খুলনা / সাতক্ষীরা / ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা

এসএম হাসান আলী বাচ্চু,তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে তালা উপজেলার দর্জি শ্রমিকরা। তবে তালায় ঈদের কেনাকাটা এখনও জমে উঠেনি, কিন্তু দর্জিরা দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভীর লক্ষ করা গেছে। ঈদকে সামনে রেখে নিজের পছন্দমত গজ কাপড় কিনে তরুন তরুনী, নারী, পুরুষ এমনকি শিশুরাও দর্জির দোকানে ছুটছে।
রমজানের শুরু থেকে দর্জি দোকানগুলোতে ভীর দেখা গেছে। শহরের অন্য দোকানে ভীর দেখা না গেলেও দর্জি দোকানগুলো জমে উঠেছে। গ্রাহকদের ভীরে দর্জি দোকানগুলো মুখরিত হয়ে পড়েছে। গ্রাহকদের অর্ডারের চাপে দর্জি শ্রমিকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। শ্রমিকদের দম ফুরোনোর সময় নেই। দিন যতই যাচ্ছে ততই গ্রাহকদের ভীর বাড়ছে এবং শ্রমিকদের ব্যস্ততাও বাড়ছে।
সরেজমিনে উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, শাহাপুর,জাতপুর,গোনালী,জেঠুয়া,ইসলামকার্টি দর্জি দোকানগুলো এবং টেইলারিং দোকানগুলোতে শ্রমিকদের ব্যবস্তা দেখা গেছে। দোকানগুলোতে দিন রাত ধরে কাজ করছে শ্রমিকরা। সারাদিন চলছে সেলাই মেশিনের চাকা। কেউ কাপড় কাটছে, কেউ সেলাই করছে, কেউ বোতাম লাগাচ্ছে আবার কেউ কাপড় ইস্ত্রি করছে। গ্রাহকদের চাহিদামত কাপড় দিতে তারা সারাক্ষণ কাজ করেই চলেছে। তবে টেইলারিং দোকান মালিকদের দাবি বিগত বছরের চেয়ে এবার অর্ডার কম।
দর্জি দোকান মালিক মোনতাজ জানান, পহেলা রমজান থেকে কাপড় আসা শুরু করেছে। তবে গত বারের চেয়ে এবার অর্ডার কম। এছাড়া শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। ২০/২২ রমজানের পর আর নতুন কাপড়ের অর্ডার নেওয়া হবে না। যত টুকু অর্ডার এসেছে এবং আসছে এগুলো ডেলিভারী দিতে হিমশিম খেতে হবে। দোকনে কথা হয় কয়েকজন গ্রাহকদের সাথে। তারা জানান, আগেই পছন্দ মত গজ কাপড় কিনে এখানে দিয়েছে। কারণ পরে কাপড় কিনে দিলে ডেলিভারী দিতে পারে না এবং সেলাই ভাল হয় না। তাই আগে ভাগেই সেলাই করতে দিয়েছে। উপশহরের অন্য টেইলারিং দোকানগুলোতে একই রকম অবস্থা বিরাজ করছে। দর্জিরা দোকানে বেশি ভাগ কাপড় আসছে শার্ট, প্যান্ট, তরুনীদের থ্রী পিছ ও তরুনীদের ফিটিংস পোষাকের অর্ডার। তবে গ্রাহকদের দাবী ঈদকে সামনে রেখে দর্জি ও টেইলারিং দোকানে মজুরি বেশি ধরছে। মজুরি বেশি করেও বাধ্য হয়ে সেলাই করতে হচ্ছে। তবে সচ্ছল ও মধ্যবৃত্ত পরিবারগুলোই কাপড় তৈরির অর্ডার দিচ্ছে বেশি। তবে মজুরি বেশির কথা অস্বীকার করে দর্জি মালিকরা বলছে শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে গেছে। তাই একটু মজুরি বাড়ানো হয়েছে। তারপরও গ্রাহকদের অর্ডারের কমতি নেই। দর্জি দোকানগুলোতে যতই দিন যাচ্ছে গ্রাহকরা দলে দলে ছুটছে দর্জি পাড়ায়। কারণ একটাই ঈদে নতুন জামা কাপড় পরতে হবে।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …