Breaking News
Home / স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা / কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে হয়ত বন্ধাত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব

কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে হয়ত বন্ধাত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব

বিজয়ের ডাক ডেষ্ক ঃ একজন নারীর আসল সুখই হলো মাতৃত্ব। আর সন্তান এক স্বর্গীয় উপহার। কোলজুড়ে একটি শিশু আর ঘরজুড়ে তার ছুটোছুটি প্রত্যেক দম্পতির স্বপ্ন। তবে মা হওয়ার এই স্বপ্নটি সবার জীবরে পূরণ হয় না। শুধু তারাই জানেন স্বপ্নভঙ্গের এই বেদনা কতটা বেদনাদায়ক।
তবে আশার কথা এটাই যে আমরা যাকে বন্ধ্যাত্ব বলে ভাবি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তেমনটা নয়- বরং একটি চিকিৎসাযোগ্য, নিরাময়যোগ্য সমস্যা। স্বামী বা স্ত্রী যে কারোর কারণেই সন্তান ধারণে অসুবিধা হতে পারে, প্রয়োজন শুধু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সে কারণটি চিহ্নিতকরণ এবং সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করা।
পুরো এক বছর কোন ধরণের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কের পরেও যদি কোন দম্পতি গর্ভধারণে ব্যর্থ হন তবেই একে বিশেষজ্ঞরা বন্ধ্যাত্ব বলে থাকেন। বেশীরভাগ সময় স্ত্রীর কোন সমস্যার কারণ হয়ে থাকলেও অন্তত শতকরা ত্রিশ ভাগ ক্ষেত্রে স্বামীর অসুবিধাই বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী। এমনও দেখা গেছে যে দুজনের কারোরই শারীরিক সমস্যা না থাকার পরেও অজ্ঞাত কোন কারণে সন্তান ধারণ সম্ভব হচ্ছে না।
নারীদের ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণ অর্থাৎ ওভুলেশনে সমস্যা, জরায়ুর কোন ত্রুটি, ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লকেজ কিংবা বয়সজনিত কারণে অসুস্থ ডিম্বাণু। অন্যদিকে শুক্রাণুর স্বল্পতা, মদ্যপান, ধূমপান, বেশী বয়স, কিছু কিছু ওষুধ, অসুস্থতা, কেমোথেরাপী বা রেডিওথেরাপী ইত্যাদি কারণে একজন পুরুষ সন্তান জন্মদানে অপারগ হতে পারেন। তবে বয়স বেশী হলে উভয়ের ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসা ঃ এই সমস্যার প্রতিকার পাওয়া খুবই কঠিন। প্রথমে জানতে হবে সমস্যা কোথায়? এর জন্য পরীক্ষা করে সঠিক সমস্যা নির্নয় করতে হবে। যদি সমস্যা স্বামীর হয় তবে স্বামীকে আর যদি স্ত্রীর হয় তবে স্ত্রীকে এবং উভয়ের হলে উভয়েই এই ঔষধ সেবন করে দেখতে পারেন।
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ- অস্বগন্ধা ০ প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ও রাতে খাওয়ার পরে ২০ ফোটা করে আধা কাপ পানির সাথে মিশিয়ে ৩ মাস সেবন করতে হবে। স্বাস্থের প্রতি কোন প্রকার অনিয়ম করা যাবে না। সূর্য ওঠার আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে এবং রাত ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে যেতে হবে, প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে, নিয়মিত কাজ কর্ম ও ব্যায়াম করতে হবে, কোন ভাবেই অলস ভাবে দিন অতিবাহিত করা যাবে না, শরীরে মেদ থাকলে তা অবশ্যই কমাতে হবে। প্রাতিদিনের খাবারে সবুজ শাকসব্জি রাখতেই হবে, ফ্যাট যুক্ত খাবার খাওয়া নিষেধ।

Check Also

গলাচিপায় স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

জসিম উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অঞ্জনা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নে বুধবার …