Breaking News
Home / আইন ও আদালত / রাঙ্গাবালীতে ১৪ মৎস্যচাষীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

রাঙ্গাবালীতে ১৪ মৎস্যচাষীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

আল আমিন, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
চাষের মাছ ধরা ঠেকাতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নে ১৪ জন ক্ষুদ্র মৎস্যচাষীর বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে রোববার দুপুর ২টায় রাঙ্গাবালী প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হয়রানির শিকার ভুক্তভোগীদের মধ্যে অন্যতম মৎস্যচাষী আনোয়ার প্যাদা।
লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার প্যাদা বলেন, তিনি ২০১৪ ও ২০১৫ সালে উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ছাতিয়ানপাড়া গ্রামের পাঁচ একরের একটি বদ্ধ খাল লীজ (বন্দোবস্ত) নিয়ে ৩৮ জন ক্ষুদ্র মৎষ্যচাষী যৌথভাবে মাছ চাষ শুরু করেন। খালটির জেএল নম্বর-১৩৭ এবং দাগ নম্বর-১২৮৭, ১২৮১, ১২৭১, ১২৭২। ওই খালে মাছ চাষ করে প্রথম বছরই মৎস্যচাষীরা লাভবান হওয়ায় স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর কূ-নজরে পড়ে।
পরে চাষের মাছ ধরা ঠেকাতে এবং খালটি নিজেদের দখলে নিতে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ১৪জন মৎস্যচাষীর বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে চাঁদাবাজি, লুটপাট, জাল-জালিয়াতিসহ বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগে প্রভাবশালী আবিদ হোসেন রুবেল ৪টি, মহসিন উদ্দিন খোকন ১টি ও এস এম আলী আহম্মেদ ১টি মামলা করেন। তারা শুধু মামলা করেই ক্ষ্যান্ত হননি। মৎস্যচাষীদের বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধামকিও দিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে চাষের মাছ ধরতে না পেরে মৎস্যচাষীরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই হয়রানি থেকে রেহাই পেতে মৎস্যচাষীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন।
এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্যচাষী কুদ্দুস হাওলাদার, রহিম প্যাদা, হিরণ হাওলাদার, মহিউদ্দিন হাওলাদার, সালাউদ্দিন প্যাদা, একরামুল, আলমাছ প্যাদা, আকতার হোসেন, মোশাররফ হোসেন ও আলকাস প্যাদা প্রমুখ।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র বলেন, এবিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Check Also

রাঙ্গাবালীতে করোনা ভাইরাস-জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ

মাহামুদ হাসান, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় করোনা-ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয় …